চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগে ফেস দ্যা পিপলের সম্পাদক ও প্রকাশক সাইফুর সাগর এবং ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টার মোহাম্মদ ইউসুফের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ জুলাই) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে আবু মো. কামরুজ্জামান এ মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদী জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকালে পিবিআই'কে মামলাটি তদন্ত করে আগামী ১০ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় আদালত। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ফেস দ্যা পিপল অনলাইন পোর্টালে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য মাস্তুল ফাউন্ডেশনে অফিসে আসেন। এরপর আসামিরা মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ২০ হাজার এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তির জন্য ১৫ হাজার টাকা করে দাবি করেন। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আসামিদের মাসিক ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কর্তৃপক্ষ আসামিদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ভয়ভীতিসহ প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুন্ন করার হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৮ জুন ফেস দ্যা পিপল অনলাইন নিউজ পোর্টালে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সুনাম ক্ষুন্ন করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি ২০ কোটি টাকার মানহানি ঘটেছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
চাঁদা দাবি ও মানহানির অভিযোগে ফেস দ্যা পিপলের সম্পাদক ও প্রকাশক সাইফুর সাগর এবং ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টার মোহাম্মদ ইউসুফের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৫ জুলাই) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালতে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে আবু মো. কামরুজ্জামান এ মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদী জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে বিকালে পিবিআই'কে মামলাটি তদন্ত করে আগামী ১০ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় আদালত। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আজাদ রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ফেস দ্যা পিপল অনলাইন পোর্টালে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য মাস্তুল ফাউন্ডেশনে অফিসে আসেন। এরপর আসামিরা মাস্তুল ফাউন্ডেশনের পক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ২০ হাজার এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তির জন্য ১৫ হাজার টাকা করে দাবি করেন। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আসামিদের মাসিক ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কর্তৃপক্ষ আসামিদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ভয়ভীতিসহ প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুন্ন করার হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৮ জুন ফেস দ্যা পিপল অনলাইন নিউজ পোর্টালে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সুনাম ক্ষুন্ন করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি ২০ কোটি টাকার মানহানি ঘটেছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন