চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার শিবপুর–নায়েরগাঁও বাজার নৌপথে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যুব অধিকার পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন।
নিজের ফেসবুক পোস্টে মোঃ কামাল হোসেন অভিযোগ করেন, শিবপুর–নায়েরগাঁও বাজার নৌপথে সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছেন। তিনি তার পোস্টে দাবি করেন, একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা কম খরচে একাধিক ট্রিপ দিয়ে ভালো আয় করতে পারলেও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার যৌক্তিকতা নেই।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিবপুর–নায়েরগাঁও বাজার নৌপথে সাধারণ মানুষের ওপর আর কতদিন এই ভাড়া নৈরাজ্য চলবে?
আমার হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা। একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা যদি ১ লিটার ডিজেলে প্রায় ১ ঘণ্টা চলতে পারে এবং প্রতি ট্রিপে গড়ে ১২ জন যাত্রী বহন করে, যেখানে প্রতিজনের ভাড়া ১৫ টাকা, তাহলে ১২ জন × ১৫ টাকা = ১৮০ টাকা (প্রতি ট্রিপে আয়) নদী পার হতে সময় লাগে প্রায় ৫ মিনিট, অর্থাৎ ১ ঘণ্টায় প্রায় ১২টি সিঙ্গেল ট্রিপ সম্ভব। ১৮০ × ১২ = ২,১৬০ টাকা (আমার হিসাব অনুযায়ী সম্ভাব্য মোট আয়)। অথচ মাত্র ১১৫ টাকার ডিজেল দিয়ে যদি এমন আয় সম্ভব হয়, নির্ধারিত ভাড়ার টাকা ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে অনেক সময় ৫ টাকার বদলে চকলেট ধরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এত বেশি ভাড়া আদায়ের যৌক্তিকতা কোথায়?
কামাল হোসেন জানান, ঈদের আগেই বিষয়টি মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি’র নজরে আনা হয়েছিল। তখন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, প্রতিদিন শত শত মানুষ এই নৌপথ ব্যবহার করেন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুর প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার শিবপুর–নায়েরগাঁও বাজার নৌপথে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যুব অধিকার পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন।
নিজের ফেসবুক পোস্টে মোঃ কামাল হোসেন অভিযোগ করেন, শিবপুর–নায়েরগাঁও বাজার নৌপথে সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নৈরাজ্যের শিকার হচ্ছেন। তিনি তার পোস্টে দাবি করেন, একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা কম খরচে একাধিক ট্রিপ দিয়ে ভালো আয় করতে পারলেও যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার যৌক্তিকতা নেই।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিবপুর–নায়েরগাঁও বাজার নৌপথে সাধারণ মানুষের ওপর আর কতদিন এই ভাড়া নৈরাজ্য চলবে?
আমার হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের খুচরা মূল্য ১১৫ টাকা। একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা যদি ১ লিটার ডিজেলে প্রায় ১ ঘণ্টা চলতে পারে এবং প্রতি ট্রিপে গড়ে ১২ জন যাত্রী বহন করে, যেখানে প্রতিজনের ভাড়া ১৫ টাকা, তাহলে ১২ জন × ১৫ টাকা = ১৮০ টাকা (প্রতি ট্রিপে আয়) নদী পার হতে সময় লাগে প্রায় ৫ মিনিট, অর্থাৎ ১ ঘণ্টায় প্রায় ১২টি সিঙ্গেল ট্রিপ সম্ভব। ১৮০ × ১২ = ২,১৬০ টাকা (আমার হিসাব অনুযায়ী সম্ভাব্য মোট আয়)। অথচ মাত্র ১১৫ টাকার ডিজেল দিয়ে যদি এমন আয় সম্ভব হয়, নির্ধারিত ভাড়ার টাকা ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে অনেক সময় ৫ টাকার বদলে চকলেট ধরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এত বেশি ভাড়া আদায়ের যৌক্তিকতা কোথায়?
কামাল হোসেন জানান, ঈদের আগেই বিষয়টি মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি’র নজরে আনা হয়েছিল। তখন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, প্রতিদিন শত শত মানুষ এই নৌপথ ব্যবহার করেন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন