ঢাকা    সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
ভোরবেলা

খাল খনন শেষে ২০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও


প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

খাল খনন শেষে ২০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি :

চাঁদপুর মতলব উত্তরে খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও ।

জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার

পানি নিস্কাশনের খাল পুনঃখনন কাজের

মুন্সিরকান্দি-লবাইরকান্দি ব্রিজ থেকে ব্রাহ্মণচক কলসভাঙ্গা ব্রিজ পর্যন্ত ৩.৫ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। খাল খনন কাজ শেষ হওয়ার পর ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়। ওই বরাদ্দের অব্যবহৃত

টাকা ফেরত দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজ প্রশংসায় করছে।

স্থানীয়রা বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল। খাল খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ভোরবেলা

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


খাল খনন শেষে ২০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মতলব (চাঁদপুর) প্রতিনিধি :

চাঁদপুর মতলব উত্তরে খাল খননের কাজ শেষ করে বরাদ্দের অব্যবহৃত ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও ।

জানা যায়, মতলব উত্তর উপজেলার

পানি নিস্কাশনের খাল পুনঃখনন কাজের

মুন্সিরকান্দি-লবাইরকান্দি ব্রিজ থেকে ব্রাহ্মণচক কলসভাঙ্গা ব্রিজ পর্যন্ত ৩.৫ কিলোমিটার খাল খননের জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার ২৩২ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। খাল খনন কাজ শেষ হওয়ার পর ২০ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৯ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়। ওই বরাদ্দের অব্যবহৃত

টাকা ফেরত দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহারের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজ প্রশংসায় করছে।

স্থানীয়রা বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর উদ্বৃত্ত নগদ টাকা কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা বিরল। খাল খননের মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থা উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং বর্ষার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ বিষয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, সরকারি অর্থ মানেই জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি থাকলে নির্ধারিত বাজেট থেকেও সাশ্রয়ীভাবে মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। জনগণের টাকা জনগণের কাছে এবং রাষ্ট্রীয় তহবিলেই ফিরে গেছে।


ভোরবেলা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মেরাজ উদ্দিন শুভ
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত ভোরবেলা