ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
ভোরবেলা

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য, মামলা দায়ের


প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য, মামলা দায়ের

চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ, পুলিশের গাড়ি আটকে দেওয়া ও ভাঙচুর চালিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় স্থানীয় ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী মনিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থায় সন্দেহ দেখা দিলে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর অভিযুক্ত মনিরের অবস্থান নিশ্চিত করে স্থানীয়রা একটি ভবন ঘেরাও করে রাখে এবং তাকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। একপর্যায়ে ভবনের গেট ভাঙার চেষ্টা করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায় এবং অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয় এবং তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশ-জনতা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত আটটার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা যায়। পরে রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে অভিযুক্তকে পুলিশি প্রহরায় থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ঘটনার তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

ভোরবেলা

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬


চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য, মামলা দায়ের

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ, পুলিশের গাড়ি আটকে দেওয়া ও ভাঙচুর চালিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় স্থানীয় ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী মনিরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থায় সন্দেহ দেখা দিলে এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর অভিযুক্ত মনিরের অবস্থান নিশ্চিত করে স্থানীয়রা একটি ভবন ঘেরাও করে রাখে এবং তাকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। একপর্যায়ে ভবনের গেট ভাঙার চেষ্টা করা হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায় এবং অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয় এবং তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকে রাত পর্যন্ত পুলিশ-জনতা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত আটটার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয় এবং পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা যায়। পরে রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে অভিযুক্তকে পুলিশি প্রহরায় থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ঘটনার তদন্ত চলছে।


ভোরবেলা

প্রকাশক : মেরাজ উদ্দিন শুভ
কপিরাইট © ২০২৬ ভোরবেলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত