ঢাকা    বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ঢাকা    বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ভোরবেলা

খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি কার্ডের নাম অন্তরভুক্তির নামে নগদ টাকা নিচ্ছে সাবেক ইউপি সদস্য



খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি কার্ডের নাম অন্তরভুক্তির নামে  নগদ টাকা নিচ্ছে সাবেক ইউপি সদস্য
ছবি : ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ও ইনসেটে সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন।

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) সংবাদদাতা :

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের স্বামী ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন এর বিরুদ্ধে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা বলে নগদ টাকা ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি হলো বাংলাদেশের গ্রামীণ অতিদরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ। যেখানে বিধবা, দুস্থ নারী, প্রতিবন্ধী এবং ভূমিহীন দিনমজুর পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই কার্ড দেওয়ার কথা। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মধ্য ইসলামাবাদের মো. সাল্লাউদ্দিনের ছেলে মো. ফারুক হোসেনের কাছে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা বলে ২ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের আব্দুল খালেক প্রধানের মেয়ে আমেনা বেগম এর কাছ থেকে ১৫০০ টাকা নেন ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের স্বামী আজহারুল হক ঝারুন। এবং একই গ্রামের মৃত মনছুর আলী দর্জির ছেলে আবুল বাশার জানান আমার বোনের কাছ থেকে আমার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা ৫০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, যারা প্রকৃত সুবিধা পাওয়ার কথা তারা এই সুবিধা পাচ্ছেন না, টাকার বিনিময়ে প্রবাসী, ব্যবসায়ীরা এই সুবিধা পাচ্ছেন। তারা বলেন মহিলা ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের স্বামী ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন, ভিজিডি কার্ড, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এমনকি সরকারি গভীর নলকূপ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

ভুক্তভোগেী, মৃত শামসুল হকের মেয়ে রাশিদা ডাক্তার বলেন, গভীর নলকূপের কথা বলে আমার কাছ থেকে ১৬০০০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। 

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

 এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুনের স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করে নাই। 

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা বলে টাকা নেওয়াটা ফৌজদারি অপরাধ। কেউ যদি টাকা নিয়ে থাকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

ভোরবেলা

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬


খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি কার্ডের নাম অন্তরভুক্তির নামে নগদ টাকা নিচ্ছে সাবেক ইউপি সদস্য

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) সংবাদদাতা :

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের স্বামী ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন এর বিরুদ্ধে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা বলে নগদ টাকা ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি হলো বাংলাদেশের গ্রামীণ অতিদরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি বিশেষ সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ। যেখানে বিধবা, দুস্থ নারী, প্রতিবন্ধী এবং ভূমিহীন দিনমজুর পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই কার্ড দেওয়ার কথা। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মধ্য ইসলামাবাদের মো. সাল্লাউদ্দিনের ছেলে মো. ফারুক হোসেনের কাছে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা বলে ২ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের আব্দুল খালেক প্রধানের মেয়ে আমেনা বেগম এর কাছ থেকে ১৫০০ টাকা নেন ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের স্বামী আজহারুল হক ঝারুন। এবং একই গ্রামের মৃত মনছুর আলী দর্জির ছেলে আবুল বাশার জানান আমার বোনের কাছ থেকে আমার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা ৫০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, যারা প্রকৃত সুবিধা পাওয়ার কথা তারা এই সুবিধা পাচ্ছেন না, টাকার বিনিময়ে প্রবাসী, ব্যবসায়ীরা এই সুবিধা পাচ্ছেন। তারা বলেন মহিলা ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের স্বামী ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন, ভিজিডি কার্ড, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এমনকি সরকারি গভীর নলকূপ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

ভুক্তভোগেী, মৃত শামসুল হকের মেয়ে রাশিদা ডাক্তার বলেন, গভীর নলকূপের কথা বলে আমার কাছ থেকে ১৬০০০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। 

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

 এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল হক ঝারুনের স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিউলি আক্তারের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করে নাই। 

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির কার্ডের নাম অন্তরভুক্তি করার কথা বলে টাকা নেওয়াটা ফৌজদারি অপরাধ। কেউ যদি টাকা নিয়ে থাকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ভোরবেলা

প্রকাশক : মেরাজ উদ্দিন শুভ
কপিরাইট © ২০২৬ ভোরবেলা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত