ইসমাইল খান টিটু:
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ছেংগারচর পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও মেয়র প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আবির।
নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় ফরহাদ হোসেন আবির বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে। পুরনো বছরের সকল দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতা ভুলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয় এই উৎসব।
ফরহাদ হোসেন আবির আরও বলেন, নতুন বছর আমাদের জন্য নিয়ে আসুক নতুন সম্ভাবনা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের বার্তা। ছেংগারচর পৌরসভার প্রতিটি নাগরিকের জীবনে সুখ-শান্তি নেমে আসুক এই কামনা করি।
ফরহাদ হোসেন আবির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবে। একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও জনবান্ধব পৌরসভা গঠনে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। সমাজের সকল স্তরের মানুষ একসাথে কাজ করলে ছেংগারচর পৌরসভাকে একটি আদর্শ ও উন্নত নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব।
সবশেষে তিনি সবাইকে নিরাপদ, আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইসমাইল খান টিটু:
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ছেংগারচর পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ও মেয়র প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আবির।
নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় ফরহাদ হোসেন আবির বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে। পুরনো বছরের সকল দুঃখ, গ্লানি ও ব্যর্থতা ভুলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয় এই উৎসব।
ফরহাদ হোসেন আবির আরও বলেন, নতুন বছর আমাদের জন্য নিয়ে আসুক নতুন সম্ভাবনা, শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের বার্তা। ছেংগারচর পৌরসভার প্রতিটি নাগরিকের জীবনে সুখ-শান্তি নেমে আসুক এই কামনা করি।
ফরহাদ হোসেন আবির আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবে। একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও জনবান্ধব পৌরসভা গঠনে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। সমাজের সকল স্তরের মানুষ একসাথে কাজ করলে ছেংগারচর পৌরসভাকে একটি আদর্শ ও উন্নত নগরীতে রূপান্তর করা সম্ভব।
সবশেষে তিনি সবাইকে নিরাপদ, আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন