রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৯০ ফিট গভীরে রয়েছে বলে জানিয়েছে রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা।রাত ১০টার দিকে তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৮০-৯০ ফিট গভীরে ছিল। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার মাধ্যমে বাসটি প্রায় ৫০ ফিট ওপরে তোলা হয়েছে। আরও ৩০-৪০ ফিট ওপরে বাসটি তুলতে হবে। খুব ধীরগতিতে সতর্কতার সাথে বাসটি টেনে তোলা হচ্ছে।
দেওয়ান সোহেল রানা আরও বলেন, বাসের জানালা ও দরজা বন্ধ থাকার কারণে আমাদের ডুবুরি ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না। এজন্য পুরো গাড়িটাই টেনে তুলতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাস ডুবে যাওয়ার সময় তিনজনের নিথর দেহ ভেসে ওঠে। এর মধ্যে দুজন নারী মারা গিয়েছেন। একজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আনুমানিক ৩৫-৪০ জন যাত্রী বাসের মধ্যে ছিলো।
নিহতরা হলেন- রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬০) ও রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাংশা জোনাল অফিসের বিলিং সুপারভাইজার মর্জিনা বেগম (৫৬)। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে আসলেও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ধীরগতি হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৯০ ফিট গভীরে রয়েছে বলে জানিয়েছে রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা।রাত ১০টার দিকে তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৮০-৯০ ফিট গভীরে ছিল। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার মাধ্যমে বাসটি প্রায় ৫০ ফিট ওপরে তোলা হয়েছে। আরও ৩০-৪০ ফিট ওপরে বাসটি তুলতে হবে। খুব ধীরগতিতে সতর্কতার সাথে বাসটি টেনে তোলা হচ্ছে।
দেওয়ান সোহেল রানা আরও বলেন, বাসের জানালা ও দরজা বন্ধ থাকার কারণে আমাদের ডুবুরি ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না। এজন্য পুরো গাড়িটাই টেনে তুলতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাস ডুবে যাওয়ার সময় তিনজনের নিথর দেহ ভেসে ওঠে। এর মধ্যে দুজন নারী মারা গিয়েছেন। একজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আনুমানিক ৩৫-৪০ জন যাত্রী বাসের মধ্যে ছিলো।
নিহতরা হলেন- রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬০) ও রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাংশা জোনাল অফিসের বিলিং সুপারভাইজার মর্জিনা বেগম (৫৬)। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে আসলেও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ধীরগতি হচ্ছে।
উদ্ধার অভিযানে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন